From Silence to Somewhere
আজকে দেখবো আমরা কিভাবে বিবর্তনের দশম পর্বে আছি ৷ বিবর্তনের পর্বগুলো একটা একটা রিওয়াইন্ড করে করে দেখলাম ৷ একদম শূন্য থেকে মহাশূণ্য তারপর প্রলয়ংকারী বিস্ফোরণ এবং ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন থেকে গ্যাস, ঘণ হওয়া, সলিডিফাইড হওয়া, উপ্তত্ত লাভা থেকে মেরুশীতল ঠান্ডা নীল বরফ, আবার সেখান থেকে প্রাণসঞ্চারের উপযোগী পরিবেশ প্রতিবেশ সৃষ্টি করা ৷ যখন বিশ্বের প্রথম সমুদ্রে এককোষী প্রাণের স্পদন তৈরী হলো এবং তারথেকে কোষ বিভাজন যখন থেকে শুরু হলো এবং তখন থেকে প্রাণ যখন একটা দেহে পরিণত হল ৷
আর সেই রক্তমাংসপিন্ডে যখন সত্ত্বা প্রবেশ করে, আর ধীরে ধীরে সত্ত্বাটা মহাবিশ্বের পারিপার্শিকতার তথ্য নিতে নিতে যখন পরবর্তী পর্বের জন্য প্রস্তুত হয় তখন সে মহাসমুদ্র থেকে উচু মাটিতে চলে আসে ৷ মাটিতে এসে সে মাংসপিন্ডের দেহের মধ্যে রুপ পরিবর্তনের ফাকি শিখে যায় ৷ এই ফাকি ধরে সে আগাতে থাকে, একবার সরীসৃপ, যে বুকে হামাগুরি দিয়ে হাটে, সমুদ্র থেকে আসার পর যে লেজটা ফেলে আসতে পারেনি সেই লেজটাও একেক রকমে পরিবর্তিত হতে থাকে ৷ আর সরীসৃপ থেকে লোমশ শরীরে, কারণ একই সাথে তাপমাত্রাটাও একেকভাবে পরছিল কোন এক সূ্র্যের কারনে ৷ লোমশ শরীরটা চার পায়ে হাটা থেকে যখন একটু ভ্রূণের মত বড় হতে শুরু করলো, যখন মাথার কাছের পা দুটো সোজা হয়ে চলার জন্য অবলম্বন আকড়ে ধরা শুরু করলো, তখন তার ব্রেইনটাও বড় হতে শুরু করলো, যথেষ্ঠ জায়গা পেয়ে বিবর্তনের পুরোনো ধাপগুলো "অস্থায়ী স্মৃতি" ব্রেইনের মাধ্যমে স্থায়ী স্মৃতি "বিবর্তন-মালা" যা আমরা ডিএনএ নাম দিয়েছি এখন, সেটাও উন্নত হতে লাগলো ৷
এই পর্বে এসে নতুন একটা প্রজাতির স্ট্রিম বেরোবে, তারা "মুনিশশো" নামে পরিচিত হবে ৷ এবং এই পোষাকে তারা কয়েক জায়গায় কয়েক সময়ে (মহাকালের হিসেবে খুবই কম সময়ে) ঘুরে বেরাবে ৷ ততদিনে লেজটা খসে গিয়ে মস্তিষ্কের ব্যবহার আরও রপ্ত করছে ৷ এবং এই পর্যায়ে এসে তারা যোগাযোগের আরেকটু উন্নত মাধ্যম ব্যবহার করা শিখবে ৷ আর এর ফলে এতদিন "Lost in Translation" এ হারিয়ে যাওয়া কথাগুলো ৷ যে কথাগুলো শুধু এক দেহেই আবদ্ধ ছিলো তা তখন অন্যের কাছে পৌছাতে শুরু করলো ৷ নিজেদের মধ্যে যোগাযােগের ফলে দ্রুত তাদের সংখ্যা বাড়তে লাগলো ৷ বিবর্তন-মালা তখন আরো দ্রুত ছড়াতে থাকলো কারণ এই তথ্যের শিকলে আরো রিসোর্সফুল-তথ্য জমা হচ্ছিল ৷ এখানেই আলো-অন্ধকারের খেলা শুরু ৷ চিন্তাগুলি এককেন্দ্রিক হয়ে উঠতে শুরু করলো ৷ কিন্তু শরীর থেকে অশরিরী* পর্বে যাওয়ার আগে সেই অন্ধকার শঙ্কা শুরু হলো, কারন বিবর্তন তাদের তাই শিখিয়েছে ৷ এটা কি শিকল ভাঙা? 'যে আমি আর এই অসুস্থ খেলায় থাকতে চাচ্ছিনা' ৷ নাকি মহাকালের মহাগহ্বরে ঝাপ দেয়ার ভয়? বিবর্তনের দেয়া সাবধানতাবাণী মেনেই ভৌত শরীর ভেঙে অভৌত অস্ত্বিতে পরিণত হয় তারা ৷
আমরা এতদিন ভেবে বসেছিলাম এই মহাশূণ্য বোধহয় পার হওয়া যাচ্ছেনা ৷ কারণ যারা যাচ্ছিলো তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের অনুন্নত দৈহিক কাঠামতে বুঝতে পারার সক্ষমতা ছিলোনা ৷ কিন্তু তারা আমাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে গেছেন ৷ যারা পরবর্তী ধাপে পৌছাতে পেরেছিল তারা সতর্ক করে দিচ্ছিলো যারা এখনও একীভূত হতে পারেনি ৷ যেমনটা "স্কুইড গেমসে" পুলসিরাতের খেলায় দেখিয়েছিলো ৷ "তারা..." - এ দিয়ে বুঝা যায় আমরা কারা, কোথায় আছি (স্বাক্ষ্য) ৷ অভৌত অস্ত্বিতের যোগাযোগ ভৌত শরীরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ৷ কারণ তারা তখনও অজ্ঞ ৷ এজন্য একীভূত হওয়ার চেষ্টায় করা যোগাযোগের ভাষা/মাধ্যম বুঝতে অসুবিধা হয়ে তারা সরে যায় ৷ বিবর্তনের পর্যায় মেনে আগাতে হবে ৷ ভৌত রুপান্তরের আগে সংশয় আসে ৷ কিন্তু জৈবিক কাঠামোর যাবৎকাল শেষ হয়ে গেলেই একলাই বিবর্তনের পরে স্তরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয় ৷ But some are Early Birds, who learned to jump from the nest!
/মনে পড়লো, নীল বিন্দুটার সবাই পার হতে পারেনাই, এখন মুনিনশোরা পার হচ্ছে ৷ এদের কয়েকটা প্রজাতি হারিয়ে গিয়েছে মহাকালের গহ্বরে ৷ আর এই ছোট্ট জায়গাটার অনেকেই এখনও পুরোনো শরীরে আটকা ৷ সবাই পার হতে পারলে আরেকটু এগিয়ে যাওয়া যাবে মহাশূণ্যের পথে ৷ We will be one more step ahead towards Unification.
It's like a reverse process. As if we're going back in Time! "সময়" - A mere unit we named to count how far we have reached!
আলোর জঙ্গল, দিল্লী, পৃথিবী
ভূমিষ্ঠলগ্ন, ৪৩০, ১৪ মহাকাল ।
Note - These are all my ape-minded thoughts, and I write whatever bullshii comes into my mind. Don't Cream over the text!
Comments
Post a Comment